বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৩
সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
টিফা অথবা টিকফা চুক্তিতে মার্কিনীদের মিত্র দেশ এবং জোট সমূহ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিনিয়োগ,ব্যাবসা,পরিবেশ ইস্যু সহ আরও কিছু মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এজেন্ডা প্রসারে সারা পৃথিবী জুড়ে যে সকল রাষ্ট্র ও আঞ্চলিক জোটের সাথে চুক্তি বদ্ধ সেগুলো হলঃ
আফ্রিকাঃ
১)এঙ্গলা (ইংরেজি,পর্তুগীজ-TIFA)
২) পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকা-তিন ধরনের চুক্তি (সাধারণ বাজার,ফরাসি,পর্তুগীজ-TIFA)
৩) পূর্ব আফ্রিকান কমিউনিটি( TIFA)
৪)ঘানা (TIFA)
৫)লাইবেরিয়া (TIFA)
৬)মরিশাস (TIFA)
৭)মোজাম্বিক(TIFA)
8)নাইজেরিয়া(TIFA)
৯)রুয়ান্ডা(TIFA)
১০)দক্ষিণ আফ্রিকা(TIFA)
১১)মার্কিন - পশ্চিম আফ্রিকান অর্থনৈতিক এবং আর্থিক ইউনিয়ন (WAEMU,TIFA)
১২)মার্কিন - পশ্চিম আফ্রিকান অর্থনৈতিক এবং আর্থিক ইউনিয়ন-ফরাসি (WAEMU,TIFA)
উত্তর আমেরিকাঃ
১৩)মার্কিন(Caricom TIFA)
১৪)উরুগুয়ে(TIFA)
১৫)ট্রেড ও পরিবেশ উরুগুয়ে(TIFA প্রোটোকল)
১৬)ট্রেড ফেসিলিটেসন নেভিগেশন উরুগুয়ে(TIFA প্রোটোকল)
ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্য ঃ
১৭)আলজেরিয়া(TIFA)
১৮)বাহরাইন(TIFA)১৯)মিশর(TIFA)
ট্রেড, অর্থনৈতিক, বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতার জন্য জিসিসি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তিঃ
২০)মার্কিন - জর্জিয়া (TIFA)
২১)মার্কিন - আইসল্যান্ড(TICF)
২২)ইরাক(TIFA)
২৩)কুয়েত(TIFA)
২৪)লেবানন(TIFA)
২৫)লিবিয়া (TIFA)
২৬)ওমান(TIFA)
২৭)কাতার(TIFA)
২৮)কাতার (TIFA)
২৯)সৌদি আরব(TIFA)
৩০)সুইজারল্যান্ড (TICF)
৩১)টিউনিস্(TIFA)
৩৩)তুরস্ক (TIFA)
৩২)ইউক্রেন(TICA)
৩৩)ইউক্রেন (TICA)
৩৪)সংযুক্ত আরব আমিরাত(TIFA)
৩৪)সংযুক্ত আরব আমিরাত (TIFA)
৩৫)ইয়েমেন(TIFA)
দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াঃ
৩৬)আফগানিস্তান (TIFA)
৩৭)মার্কিন - সেন্ট্রাল এশিয়ান TIFA (কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, এবং Uzbekistan)
৩৮)মালদ্বীপ(TIFA)
৩৯)নেপাল(TIFA)
৪০)পাকিস্তান(TIFA)
৪১)শ্রীলঙ্কা(TIFA)
দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয়ঃ
৪২)আসিয়ান(TIFA)
৪৩)ব্রুনাই(TIFA)
৪৪)মায়ানমার(TIFA)
৪৫)কাম্বোডিয়া(TIFA)
৪৬)ইন্দোনেশিয়া(TIFA)
৪৭)মালয়েশিয়া(TIFA)
৪৮)নিউজিল্যান্ড(TIFA)
৪৯)ফিলিপাইন(TIFA)
শুল্ক প্রশাসন ও বানিজ্য ফেসিলিটেসন প্রোটোকলঃ
৫০)থাইল্যান্ড(TIFA)
৫১)ভিয়েতনাম(TIFA)
এই সব দেশের অর্থনীতি,কৃষি,ব্যাবসা-বানিজ্য,মেধা সত্ত্বা এবং অবকাঠামগত ইতিহাস চর্চা করলেই মার্কিন চুক্তির সব দিকউঠে আসবে দিনের আলোর মত।এত কিছুর পরও যারা এই চুক্তি করতে খুবই আগ্রহী তাদের উদ্দেস্যে একটি কথা বলা উচিৎ মনে করি "বস,আপ্নারা এখনো মায়ের পেটে আছেন,বের হয়ে আসেন বাইরে দেখেন সুন্দর আলোকময় উজ্জ্বল দিন আপনার জন্যঅপেক্ষা করছে" ।
তথ্য সূত্র ঃ ইউনাইটেড স্টেট ট্রেড রিপ্রেসেন্টেটিভ কার্যালয়।
ঝরা পাতা ...
ঝরা পাতা উড়ে যায়
আহারে কি মায়ায়
একা একা ফিরে দেখা
দক্ষিণ হাওয়ায়
কিছু কি ছিলনা বলার
কিছু ধরে রাখবারঅন্ধ
বাঁধনেসে পথ চলারআজও
জানালা বেয়েএকই রোদ্দুর
পাশেসন্ধ্যা তারা জ্বালেনা
কেউ আমার আকাশে ।।
ভেবো না আমায়নিয়ে
সুখেই আমি আছিআঁধারে
ভয় নেই আরতুমি কি
এখনওতেমনই আছোনাকি
বিষণড়ব আবার ।।
কিছু কি ছিলনা বলারকিছু
ধরে রাখবারঅন্ধ বাঁধনেসে
পথ চলারআজও জানালা
বেয়েএকই রোদ্দুর পাশেসন্ধ্যা
তারা জ্বালেনাকেউ আমার আকাশে ।।
ভালবাসারবলো ভালো কি
আছেসেই বারান্দাতে
আজপাশাপাশি সে হাতলাজুক
সে চোখআছে কি সেই আদরে ।।
কিছু কি ছিলনা বলারকিছু
ধরে রাখবারঅন্ধ বাঁধনেসে
পথ চলারআজও জানালা
বেয়েএকই রোদ্দুর পাশেসন্ধ্যা
তারা জ্বালেনাকেউ আমার আকাশে ।।
ITET-MEMBERSHIP:CLASSIFICATION & QUALIFACTION
CLASSIFICATION OF ITET MEMBERSHIP:
Clause No-4.1:Classification of Membership.The provision of Student Member and Honorary Member are not to be executed.
Clause No. 4.2 :Qualification of Member.The eligibility of general and life membership is to be restricted only within the clause a, b, c, and d with 5 (five) years experience. All other clauses such as e, f, g, h and classes 4.22 & 4,2, 4 are not to be executed.
AMENDMENTS: In the Grand Convention on 25th July 1995 at Hotel Sonargaon, Dhaka
4.1 Classification of Membership
The Membership of the Institution shall be as follows:-a. General Member.b. Honorary Memberc. Life Memberd. Student Membere. Patron Member
General Members:A person would be considered eligible to be a General Member if he/she has any of the following qualification and professional experiences:a) B.Sc. degree in Textile Engineering/ Technology or Equivalent.b) Chartered Member of the Textile Institute of the U.K. or Equivalent.c) Post Graduate Degree/ Diploma in Textile Technology or Equivalent.d) Diploma in Textile Engineering/Technology.e) Certificate in Textile Engineering /Technology with minimum 3 years experience.f) B.Sc. or above in Natural or applied science with min. 3 years experience.g) H.S.C./S.S.C. with 7 years experience in the field of Textile Technology.h) B.Sc. or Diploma from other discipline and have 5 years experience in the field of Textile Technology.
Persons who would be nominated for the general membership should be of min. 23 years old. Persons whose qualification and experience-fall into category of f,g,h, of above may have to appear either in the written or viva or both the examination as the membership committee deem necessary.
মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৩
এই সব মিথ্যার হেতু কি?
একটা বেপার কতটা এড়িয়ে গেছে সবার নজর,জানি না।সাম্প্রতিক কালে কোন একটা ঘটনা শুধু অনলাইন ফটো শেয়ারিং এবং এ নিয়ে লেখালেখি এর মাধ্যমেই অনেক দুর বিস্তৃত হয়।সেই সেয়ার করা ফটো কখনো থাকে পুরো সত্যি,কখনো মিথ্যা।সত্য হোক আর মিথ্যা হোক বেপার গুলু ভার্চুয়াল দুনিয়াতেই সীমাবধ্য ছিল অথবা এখনও আছে।কিন্তু বেপারটার ভিন্য মাত্রিকতা আপনাকে কিছুটা অবাক করবে।
দিন কয়েক আগে এক পরিচিত ভদ্রলোক কোন এক চা চক্রে থম থমে গলায় বলছিলেন যে আল্লাহর দুনিয়ায় এই গজব মানা হবে না,অন্তত আল্লাহ এর সমুচিত জবাব দিবেন,গজব নেমে আসবে এই দেসে,এই দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।তিনি আবেগ মিস্শ্রিত কণ্ঠে বর্ণনা দিলেন যে তিনি নিজের চোখে যা দেখেছেন তা বিশ্বাস করার মত নয়।হাজার হাজার লাশের স্তুপ দেখেছেন।কোথায় দেখেছেন?কেউ একজন কাগজে প্রিন্ট আউট দিয়ে দেখিয়েছেন উনার অফিসে।গত ৫ই মে মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম সমাবেশ করেছে।এ সমাবেশের উদ্দেশ্য কি ছিল ?আমি মনে করি দেশের সাধারন জনগন এখনও ধুম্র জালে মোড়ায়িত এই উদ্দেশ্য বিষয়ে ।এই সমাবেশে নাশকতা ছিল গা শিরশির করে উঠার মত।হেফাজতে ইসলামের নেতা কর্মীরা প্রলয়ঙ্করী এক তাণ্ডব দেখিয়েছেন ঢাকা বাসী সহ সারা পৃথিবীকে।গুরুত্বপূর্ণ স্থাপ্ননা এবং রাজনৈতিক দলের অফিস ভাংচুর,বৃক্ষ নিধন,কোরআন সহ অন্যান্য ধর্মীয় পুস্তকে অগ্নিসংযোগ,ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নি সংযোগ,জুয়েলারি দোকান সহ অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটতরাজ দেখেছি আমরা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে।এমনকি এটা নিয়ে যথেষ্ট দলা দলিও দেখেছি।দলা দলি হয়েছে এই সমাবেশের নৈতিকতা নিয়েও এমন কি এখনো রীতিমতো প্রশ্নবিদ্ধ।দলা দলির মূল বিষয় ছিল মহাসমাবেশে আসা হেফাজতে ইসলামের নেতা কর্মীর পুলিশের হাতে নির্যাতন এবং নির্যাতিত হয়ে মৃত্যু বরন কারি লাশের সংখ্যা কম বা বেশি নিয়ে।এক দল বলছে লাশ ৩৪ টি বা এর কাছা কাছি আরেক দল বলছে হাজার হাজার।
এই বার আসি মূল প্রসঙ্গে।যে দল লাশের সংখ্যা হাজার হাজার বলছে তাদের বক্তব্যের সত্যতা প্রমানে নানামুখী প্রচারনায় ব্যস্ত।এমনি এক প্রচারনার সন্মুখিন হই আজ।গাজীপুরের বোর্ড বাজারে ই,বি,এল থেকে একটা জরুরি কাজ সেরে বের হয়ে একটা জন প্লেয়ারের টানে ব্যংকের নিচে এক টং দোকানে দারাতেই সিরাম এক প্রচারনা দেখলাম।টঙ্গের সামনে রাখা বেঞ্চে বসে থাকা দুই ভদ্রলোক গভীর মনোযোগে একজনের হাতে রাখা একটা ছবির দিকে নিবিষ্ট।ঘটনা বোঝার জন্য একটু ইন্টারেস্ট দেখাই।"কি ভাই,কি দেখতেছেন?" জিজ্ঞেস করলাম একজনকে।জিজ্ঞেস করতেই এক ভদ্রলোক তার হাতে রাখা ছবিটা আমাকে দেখিয়ে বল্লেন"দেখেন কি করছে!এই সরকার দেশরে কই লইয়া যাইতাছে?আলেমগরে কেমনে পশুর মত মাইরা টাল কইরা রাখছে"এই ছবি দেখে আমি রীতিমতো তাজ্যব বনলাম।মনের মধ্যে কেউ কাতু কুতু দিয়ে বলছিল "মাইরালারে আমারে কেউ মাইরালা"এ কি দেখলাম আমি!সম্প্রতি হাইতি তে এক মর্মান্তিক ভুমিকম্পে বহু মানুষের প্রান হানি ঘটেছে।সেই লাশের স্তুপের এক বিভৎস ছবিকে একটু এডিট করে চালিয়ে দিচ্ছেন হেফাজতে ইসলামের নেতা কর্মীর লাশের স্তুপ বলে যা কিনা তাদের মতে ৫ মে রাতের জেনসাইড।কেউ কেউ আবার এটা কে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সেই ভয়াল কাল রাতের সাথেও তুলনা করেছেন।তাদের প্রজ্ঞায় যতটুকু ধরেছে ততটুকু বলেছেন।কিন্তু এই মিথ্যা ছবি গুলু প্রিন্ট আওট দিয়ে প্রকাশ্যে কে ছড়াচ্ছে?এই ডাহা মিথ্যা কে রঙ মেখে প্রচারনার এত দায় কার?এই জনপদের সহজ সরল মানুষের সরলতার সুযোগ নিচ্ছে কারা?যারা এটা করছে তারা কি এই দেশের উন্যয়নের বিরুদ্ধে না?বাংলাদেশ কি কখনো প্রপাগান্ডা থেকে বের হতে পারবে না?নাহ!এটা হতে পারে না।কক্ষনও হতে দেয়া যায় না।লুক ফরওয়ার্ড ম্যান।অল অফ ইউ গাইস আর কারেজিয়াস বাংলাদেশি।ইউ হেভ আ গ্লরিয়াস ফ্রিডম ফাইটিং ভিক্টরি স্টোরি।সো ইটস নট আ বিগ ডিল টু ডিফিট দউস বাস্টার্ড।
শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৩
বেদনায় কাহলিল জিবরান।
বুদ্ধির খোলস ভেঙ্গে গেলে জন্ম নেয় প্রগার বেদনা।ফলের খোলস ভেঙ্গে রোদ্দুরে বীজের হৃদয় দাঁড়ায় যেমন- সেই অনুভবে বেদনাকে নিতে হয়।জীবনের প্রত্যহিক অলৌকিক বিস্ময়ের মাঝে হৃদয়কে মেলে রাখলে বুঝা যায় বেদনাও কম বিস্ময়জনক নয় আনন্দের চেয়ে।তখনি সহজ হয় মেনে নিতে হৃদয়ের ঋতুবদল যেমন আমরা মেনে নেই,নিয়েছি শস্য ক্ষেতের ঋতু সমারোহ।এই ভাবেই ভাবতে শিখি শীতার্ত দুঃখেও পাওয়া যাবে কিভাবে অনাবিল প্রসান্তি।
আসলে বেদনা নিজেরাই খুড়ে রাখি,রাখছি নিজেদের বুকে।
বেদনা যেন সে তেতো ওষুধের মাত্রা যাকে দিয়ে ভেতরে থাকা চিকিৎসক নিজেদের সুস্থ করে তোলে।অতএব আস্থা রাখতে হবে বৈদ্যের উপর।ওষুধ সেবন করতে হবে সান্ত মনে নিশ্চিন্ত নীরবে।বৈদ্যের রুড হাতে রয়েছেকোমল ছায়া তার এবং পেয়ালা যদিও পুড়িয়ে দেয় ঠোট তাহলে মনে রাখতে হবে পেয়ালার মাটি ভিজে গিয়েছিল তার পুন্য অস্রুজলে
আসলে বেদনা নিজেরাই খুড়ে রাখি,রাখছি নিজেদের বুকে।
বেদনা যেন সে তেতো ওষুধের মাত্রা যাকে দিয়ে ভেতরে থাকা চিকিৎসক নিজেদের সুস্থ করে তোলে।অতএব আস্থা রাখতে হবে বৈদ্যের উপর।ওষুধ সেবন করতে হবে সান্ত মনে নিশ্চিন্ত নীরবে।বৈদ্যের রুড হাতে রয়েছেকোমল ছায়া তার এবং পেয়ালা যদিও পুড়িয়ে দেয় ঠোট তাহলে মনে রাখতে হবে পেয়ালার মাটি ভিজে গিয়েছিল তার পুন্য অস্রুজলে
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
